বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
আহবানে
পরিচালক মন্ডলী
ক্ব-রীয়ানা পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা সোসাইটি
রেজিঃ নং- ৭৭৫২
মাগুরা, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭ ০৫৬৮১৬, ০১৭২৬ ৩২২৭২৮,
জেলাপরিচালক মেহদী হাসান বহিস্কার
ক্ব-রীয়ানা পদ্দতিতে ক্বুরআন শিক্ষা সোসাইটি, মাগুরা বাংলাদেশ, এর আওতাধীন পরিচালিত যশোর জেলার পরিচালক ক্ব-রী হাফেজ মোঃ মেহদী হাসানকে গত ০৩/০১/২০১৫ ইং তে অত্র সোসাইটি হতে বহিস্কার করা হয়েছে। তিনি অত্র সোসাইটির জেলা পরিচালক থাকা অবস্থায় বিভিন্ন দুর্নিতির সাথে জড়িত হয়েছেন, এবং সোসাইটির প্রকাশিত কুরআন শিক্ষা চার্ট ও অন্যান্ন কারিকুলাম নকল করেছেন এবং মাঠ পর্যায়ে অত্র সোসাইটির কার্যত্রম ক্ষতিগ্রস্হ করার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেছেন, এবং সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলহাজ্ব ক্ব-রী মুহাঃ সাদ্দাম হোসেন এম, এ ও আলহাজ্ব মুফতি মুহাঃ আব্দুল করিম নাদভী কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এ সকল অভিযোগ সাক্ষি সবুত সহ প্রমানিত হয়ার পর, সোসাইটি কর্তৃপক্ষ গত-০৩/০১/২০১৫ তে মাগুরা কুরআন শিক্ষা সেন্টারে সোসাইটির সকল জেলা পরিচালকদের একটি জরুরী মিটিং এর আহব্বান করেন। মিটিং এ উপস্থিত প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বৃন্দ ও সকল জেলা পরিচালকদের সর্ব সম্মতি ক্রমে যশোর জেলার পরিচালক ক্ব-রী হাফেজ মোঃ মেহদী হাসান কে বহিস্কার করা হয়, এবং তিনি সোসাইটির বড় আকারে আর্থীক ক্ষতি করার কারনে তার পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য্যকরা হয়েছে। উল্লেখিত পাঁচ লক্ষ টাকা হতে নগত দুই লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছে এবং তিন লক্ষ টাকা পর বর্তিতে পরিশোধ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
অধ্য হতে সোসাইটির জেলা পরিচালক ও শিক্ষক/শিক্ষিকা গণ তার সাথে কোন প্রকার লেনদেন অথবা যে কোন ধরনের যোগাযোগ হতে সম্র্পুন রুপে বিরত থাকবেন।
আহবানে,
কর্তৃপক্ষ
ক্ব-রীয়ানা পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা সোসাইটি
রেজিঃ নং- s-৭৭৫২
প্রাচিনকাল খেকেই সমাজের নিম্ন শ্রেণীর কিছু মানুষ অন্যের অর্থের প্রতি লোভ পোশন করে আসেছ। তাদের নিজেদের অর্থ সম্পদ কম-বেশি যাই হোকনা কেন সেগুলো রক্ষনাবেক্ষন নাকরে অন্যের অর্থ সম্পদ অন্যায় ভাবে ছলে বলে কৌশলে কুক্ষিগত করার প্রচেষ্টায় মগ্ন। বিংশ শতাব্দীর শুরুরদিকে ভারত উপমহাদেশে মুসলিম পরিবারের কতিপয় লোভি ও চালবাজ মানুষ বিভিন্ন অযুহাত দিখিয়ে যৌতুক প্রথা চালুকরে এবং যৌতুকের কু-কৌশল প্রয়োগ করে অন্যের অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার একটি সহজ পন্থা আবিষ্কার করে। যা পবিত্র ক্বুরআন ও হাদিস আদৌ সমর্থন করেনা।
তারা মানুষ নামের কলংক, বরবর, তারা চতুষ্পদ জানুয়ারের ন্যায়, বরং তার চেয়েও নিকৃষ্ট, তারা নারী জাতির স্বাধীনতা ও মর্যাদাকে জিন্দা দনাফন করেছে। কিন্তু সাবধান তাদের বিরুদ্ধে সহজেই কিছু বলা চলবেনা, কারন তারাই এখন মুসলিম সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়। যৌতুক হল বিবাহের সময় বর পক্ষ, কন্যা পক্ষের নিকট হতে নগত টাকা, সর্নালংকার, মোটর গাড়ী, টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি সম্পদ শর্ত সাপেক্ষে গ্রহন করা হয়। যৌতুক হল একটি সামাজিক ব্যাধি, যৌতুক হল মানব জীবনের একটি অভিষাপ। সমাজে যৌতুক প্রথা ছয়লাব হয়ার কারনে নারী জাতির মর্যাদা বালিকনার সাথে মিশ্রিত হয়েছে এবং সমাজে অশান্তির ঝড় বইছে।
অথচ হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে যে, “মায়ের চরন তলে সন্তানের বেহেস্ত। আরো এরশাদ হয়েছে যে, “ তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। ” যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর বাবা-মা কে ক্ষ্ট দিয়ে যৌতুক গ্রহন করেছে সে কখনো তার স্ত্রীর নিকট উত্তম হতে পারেনা, বরং সে পুরুষ নামের কলংক।
প্রিয় মুসলিম ভায়েরা, জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে হলে আপনাদের গ্রহন কৃত যৌতুকের অর্থ সমুহ ফেরত প্রদান করুন। সমাজে যৌতুক প্রথা বন্ধ করে, দেন মহর পরিশোধের সুন্নাত চালু করুন। এই অভিশাপ থেকে বাঁচার জন্য সামজিক আন্দলনে গড়ে তলুন।
ক্বুরআ-নের তাফসীর করার জন্য নিম্নের বিষয় গুলো জানতে হবে।
১. আভিধানিক অর্থ জানা। ২. ইলমে নাহু জানা। ৩. ইলমে ছরফ জানা। ৪. ইলমে এশতেকাকঃ ধাতুগত অর্থজানা। ৫. ইলমে মাআনী জানা। ৬. ইলমে বয়ান জানা। ৭. ইলমে ক্বিরাত জানা। ৮. ইলম আকায়েদ জানা। ৯. ইলমে নুযূল জানা। ১১. নাসেখ ও মানসূখ জানা। ১২. ইলমে ফিকাহ জানা। ১৩. ইলমে হাদীস জানা। ১৪ ইলমে ওয়হ্বী জানা ।
ইমাম গাযযালী (রহঃ) কিময়ায়ে সা‘আদত’ কিতাবে লিখেছেন, তিন ব্যক্তির উপর ক্বুরআ-নের তাফসীর প্রকাশিত হয়না, অর্থাৎ তাদের তাফসীর বুছার ক্ষমতা হয়না। এক. যে ব্যক্তি আরবী ভাষা জানেনা। দুই. যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে লিপ্ত থাকে অথবা বেদআতী হয়। কেননা এ গুনাহ্ ও বেদ‘আতের কারণে তার অন্তর কালো হয়ে যায়। ফলে ক্বুরআ-নের মারেফত ও রহস্য বুঝতে সে অক্ষম হয়ে পড়ে। তিন. যে ব্যক্তি কোন আকীদাগত বিষয়ে বাহ্যিক দিককে গ্রহণ করে এবং ক্বুরআ-নের যে আয়াত তার বিপরীত হয় তা গ্রহণ করতে তার মন প্রস্তুত হয়না। এরুপ ব্যক্তি ও ক্বুরআ-নের জ্ঞান হতে বঞ্চিত থাকে। হে আল্লহ, আপনি আমাদের হেফাজত করুন।