Untitled Post
Now Only 1000 BDT!
কোরআনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য
সাংকেতিক চিহ্নের বিবরণ
বাতি চিহ্ন ব্যবহারের কারণ
নুন ও মীম অক্ষরে তাশদীদ থাকলে ওয়াজিব গুন্নাহ হয়। গুন্নাহ আদায় করার সময় নাকের মধ্যে গুন গুন শব্দ
করতে হবে। এই চিহ্ন ১৫ টি জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে। যথা- ১। মীমের উপর তাশদীদ থাকলে। ২। নূনের উপর। তাশদীদ থাকলে। ৩। নূন সাকিনের বামে 'বা' থাকলে (মীমে কুত্তীর উপর)। ৪-৬। দুই যের, দুই যবর ও ২ দুই পেশের। বামে 'বা' অক্ষর থাকলে (মীমে কুন্সীর উপর)। ৭। নূন সাকিনের বামে 'ইয়া' থাকলে। ৮-১০। দুই যের, দুই যবর ও ২ দুই পেশের বামে 'ইয়া' থাকলে। ১১। নূন সাকিনের বামে 'ওয়াও' থাকলে। ১২-১৪। দুই যের, দুই যবর ও ২ দুই পেশের। বামে 'ওয়াও' থাকলে। এবং ১৫। 'মীম' সাকিনের বামে 'বা' থাকলে। এ সব গুন্নার স্থানে বাতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
মিনার চিহ্ন ব্যবহারের কারণ ও বর্ণনা
৫ টি অক্ষরের উপর সূকুন থাকলে কুলকুলাহ বা প্রতিধ্বনী সৃষ্টি করে পড়তে হবে। এরূপ জায়গায় মিনার চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। মিনার চিহ্ন ৫টি জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে। যথা- 'বা' অক্ষরে সুকুন থাকলে। ২। 'জীম' অক্ষরে সুকুন থাকলে। ৩। 'দাল' অক্ষরে সুকুন থাকলে। ৪। 'ত্ব' অক্ষরে সুকুন থাকলে। ৫। ও 'কৃষ্ণ' অক্ষরে সুকুন থাকলে। উক্ত ৫ অক্ষরে আরছি সাকিন হলেও কুলকুলাহ করতে হবে। তবে সামনে পড়ে গেলে কুলকুলাহ করতে হবে না। তাই সেখানে মিনার চিহ্ন দেওয়া হয়নি।
শাপলা ফুল চিহ্ন ব্যবহারের কারণ বর্ণনা
যে সব অক্ষরের উপর শাপলা ফুলের চিহ্ন থাকবে সে সব অক্ষরে উচ্চারণের সময় যবর থাকা সত্ত্বেও বাংলায় 'আকার' উচ্চারণ হবে না। 'আকার' দিয়ে উচ্চারণ করলে এক অক্ষরের জায়গায় অন্য অক্ষর উচ্চারণ হতে পারে। যথাঃ 'ভূ' যবর 'তু' হবে এটিই শুদ্ধ, কিন্তু যবর দিয়ে পড়লে 'তু' না হয়ে 'তা' অক্ষর হয়ে যাবে যা ভুল। তবে খেয়াল রাখতে হবে 'আকার' ছাড়া উচ্চারণ করতে গিয়ে যেন 'ও'কার এর মত উচ্চারণ না হয়। কেননা আরবীতে 'ও'কার এর কোন ব্যবহার নেই। একই ভাবে আরবীতে ''ে-কার এর কোন ব্যবহার নেই। এ চিহ্ন ১০টি যায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে
হারকাতের উপর ১ লেখার কারণ বর্ণনা
ক্ব-রীয়ানা কুরআনের যে সব হরফের উপর ১ লেখা আছে সে সব জায়গায় ১ (এক) আলিফ অবশ্যই টেনে
পড়তে হবে। না টানলে তিলাওয়াত হারাম হবে। টেনে তিলাওয়াত না করলে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের সময় অর্থের পরিবর্তন হয়ে তিলাওয়াতে মারাত্মক ভুল হয়ে যেতে পারে। যেমন, "লা" লাম অক্ষরের যবরের বামে আলিফ
আছে টেনে পড়লে অর্থ হবে "অবশ্যই না বা নাই", টেনে না পড়লে অর্থ হবে অবশ্যই হ্যা বা আছে।
নিম্ন বর্ণিত ৬ স্থানে ১ লেখা হয়েছে
সাকিনের উপর ২ লেখার কারণ বর্ণনা
যে সব সাকিন অক্ষরের উপর ২ লেখা আছে তার বামের অক্ষরে দম ফেললে ২ আলিফ টানতে হবে। দম না ফেললে টানতে হবে না। এবং এর উপর সাকিন ডানের অক্ষরে যবর এবং বাম পাশে আরদ্বী সাকিন হলে ২ আলিফ টানতে হয়
হারকাতের উপর ৩ লেখার কারণ বর্ণনা
মাদ্দে আঙুলীর বামে অর্থাৎ ১ আলিফ মাদ্দের বামে (অন্য শব্দের শুরুতে) লম্বা হামজাহ হলে ৩ আফিফ টানতে হবে (তবে দম ফেললে ১ আলিফ টানতে হবে)। যে সব হারকতে ৩ আলিফ টানতে হবে সেখানে ৩ লেখা আছে।
চিহ্ন ব্যবহার কারণ ও বর্ণনা
৬ প্রকার মাদ্দে আঙুলীর বামে আরছি সাকিন অর্থাৎ দম ফেলার সময় যের, যবর, পেশ অথবা ২ যের, ২ পেশ, পাইলে উক্ত জায়গায় দম ফেললে ৩ আলিফ টানতে হয় এবং দম না ফেলে পড়ে গেলে ১ আলিফ টানতে হয়। এ সব। জায়গায় এরূপ চিহ্ন দেওয়া হয়েছে
Contact Form