
Fojorer Namaz Last Time | যোহরের নামাজের সময়সূচী | নিয়ম | নিয়ত | রাকাত
ফজরের নামাজের রাকাত সমূহ (Fojor Namaz Rakat)
২ রাকাত সুন্নত
নবীজি (সা.) এর নিয়মিত আদায়কৃত সুন্নত (সুন্নতে মুয়াক্কাদা)
২ রাকাত ফরজ
আল্লাহর নির্দেশিত ফরজ নামাজ
ফজরের নামাজের সময়সূচী
ফজরের নামাজের সময় সুবহে সাদিক থেকে শুরু হয় এবং সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত থাকে। এটি দিনের প্রথম নামাজ এবং ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফজরের আযান সাধারণত সুবহে সাদিক হওয়ার সাথে সাথে দেওয়া হয়।
ফজরের নামাজ কখন পড়তে হবে
ফজরের আযান দেওয়ার পর থেকে সূর্য উঠার আগ পর্যন্ত ফজরের নামাজ পড়া যায়। তবে প্রথম দিকে পড়লে বেশি সওয়াব। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “ফজরের নামাজের সময় হলো সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত।” (মুসলিম)
ফজরের নামাজ কখন পড়া যাবে না
সূর্য উঠার পর থেকে সূর্য ভালোভাবে উঠে যাওয়া পর্যন্ত (প্রায় ১৫-২০ মিনিট) কোনো নামাজ পড়া মাকরূহ। এই সময়ে শুধু আসরের কাযা নামাজ পড়া যায়।
ফজরের নামাজের শেষ সময় (Fojor Namaz Last Time)
ফজরের নামাজের শেষ সময় সূর্যোদয়ের ঠিক আগ পর্যন্ত। সূর্য উঠার সাথে সাথে ফজরের নামাজের সময় শেষ হয়ে যায়। উপরের উইজেটে আপনার শহরের জন্য সঠিক শেষ সময় দেখতে পারেন।
মুসাফির অবস্থায় ফজরের নামাজ কয় রাকাত?
আপনি যদি মুসাফির অবস্থায় থাকেন তাহলে ২ রাকাত ফরজ নামাজই পড়বেন। সুন্নত পড়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে পড়লে সওয়াব পাবেন। মুসাফিরের জন্য ফজরের ফরজ নামাজ সংক্ষিপ্ত করা যায় না (২ রাকাতই পড়তে হয়)।
ফজরের নামাজের বিশেষ ফজিলত
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে, তার চেয়ে উত্তম।” (মুসলিম)। ফজরের নামাজ আদায়কারী আল্লাহর বিশেষ নিরাপত্তায় থাকেন।
ফজরের নামাজের নিয়ত (ফজরের নামাজের নিয়ত)
ফজরের ২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত:
ফজরের ২ রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত:
ফজরের নামাজের বিশেষ সুন্নত
১. সুবহে সাদিকের পরপর পড়া
২. জামাতের সাথে পড়া
৩. দীর্ঘ কেরাতে পড়া
৪. নামাজের পর কিছুক্ষণ বসে জিকির করা
গুরুত্বপূর্ণ টিপস
• শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়া
• উত্তমরূপে ওজু করা
• সময়মতো আদায় করা
• সুন্নতকে গুরুত্ব দেওয়া
ফজরের নামাজের পর পড়ার দোয়া
ফজর নামাজ না পড়লে কী হয়?
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ফজরের নামাজ ছেড়ে দেয়, সে আল্লাহর জিম্মাদারি থেকে বেরিয়ে যায়।” (বুখারি)। ফজরের নামাজ পরিত্যাগ করা কবিরা গুনাহ।
নামাজ সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
সঠিক নামাজ পড়তে হলে ওজু করে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াতে হবে। এরপর নিয়ত করে তাকবীরে তাহরিমা বলে সানা, সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলিয়ে রুকু-সেজদার মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করতে হবে।
ফজরের নামাজে বিশেষ কোনো দোয়া নেই, তবে কিরাত দীর্ঘ করা সুন্নত। আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোনো সূরা (যেমন: সূরা ইয়াসিন বা ছোট সূরা) দিয়ে পড়তে পারেন।
হ্যাঁ, সক্ষম ব্যক্তির জন্য ফরজ নামাজ দাঁড়িয়ে পড়া ফরজ। তবে অসুস্থ বা অক্ষম হলে বসে পড়ার অনুমতি আছে।
সফরের সময় কসর নামাজে সুন্নত পড়া ঐচ্ছিক। সময় ও সুযোগ থাকলে পড়া ভালো, তবে না পড়লে কোনো গুনাহ হবে না।