ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম একজন সম্মানিত প্রযুক্তিবিদ এবং সফল উদ্যোক্তা। তিনি শুধুমাত্র প্রযুক্তি ক্ষেত্রেই নয়, সামাজিক দায়িত্ব পালন এবং যুব উন্নয়নেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার ব্যক্তিগত জীবনেও রয়েছে নানা রকমের শখ ও আগ্রহ যা তাকে একটি বহুমুখী ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন এবং তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিল্পে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
ঢাকা কলেজ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
আমিনুর রহমান কলেজ, মহম্মদপুর (যশোর বোর্ড)
বালিদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় (যশোর বোর্ড)
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষার আন্তর্জাতিক ফাউন্ডেশন
(ইউনানী) ৪ বছর মেয়াদী চিকিৎসাবিদ্যা কোর্স
কলেজ জীবনে তিনি একজন দক্ষ কেরাম খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আমিনুর রহমান কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় একক ও দ্বৈত উভয় বিভাগেই অংশগ্রহণ করে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন।
কলেজ পর্যায়ে তিনি একজন নিয়মিত দাবা খেলোয়াড় ছিলেন। ১৯৯৯ সালের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এই মেধাভিত্তিক খেলায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
কলেজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। মঞ্চ উপস্থাপনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় তার আগ্রহ ও দক্ষতা প্রশংসিত ছিল।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে সিজিপিএ ৩.৩২ (গ্রেড: B+) পেয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এটি তার উচ্চশিক্ষার সর্বোচ্চ একাডেমিক অর্জন।
মাক্কি মাসজিদ, ঢাকা
জামালুল কুরআন নামক তাজবীদ কোর্স প্রশিক্ষণ গ্রহণ , যার মাধ্যমে সহিহ শুদ্ধ ভাবে মাদ্দ মাখরাজসহ বিভিন্ন সূরে কুরআন পড়ার কৌশল আয়ত্ত করা ।
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষার আন্তর্জাতিক ফাউন্ডেশন
২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা ৩ বছর সফলতার সাথে শিক্ষক প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মিরপুরস্থ এই আন্তর্জাতিক ফাউন্ডেশন থেকে তার শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণের বিশেষ অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়।
ঢাকা কলেজ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন।
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, যশোর
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যশোর বোর্ডের অধীনে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন (গাউসুল আজম চৌধুরী)।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়)
গবাদিপশু পালন, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ওপর ৩ মাস মেয়াদী নিবিড় কারিগরি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেন।
আমিনুর রহমান কলেজ, মহম্মদপুর
বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্র সংগীত ও পল্লী গীতিতে অংশগ্রহণ করে বিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শন করেন এবং সনদ লাভ করেন।
আমিনুর রহমান কলেজ, মহম্মদপুর
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় কেরাম (একক ও দ্বৈত) ও দাবা খেলায় অংশগ্রহণ করে একাধিক পুরস্কার ও সনদ অর্জন করেন।
আমিনুর রহমান কলেজ, মহম্মদপুর
বাণিজ্য বিভাগ থেকে যশোর বোর্ডের অধীনে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্জন করেন।
বালিদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাগুরা
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যশোর বোর্ডের অধীনে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে একাডেমিক জীবনের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেন।
বীরপ্রতীক আব্দুল ওহাব ডিগ্রী কলেজ
কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক তার সুশৃঙ্খল জীবন ও নৈতিক চরিত্রের বিশেষ স্বীকৃতিস্বরূপ দুটি পৃথক প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়।