সহজ পদ্ধতিতে তাজবীদ শিক্ষা
তাজবীদ কাকে বলে
তাজবীদ কয়টি ও কি কি
তাজবীদ শিক্ষা pdf download
১ নং তাজবীদ
মুখস্তঃ মিলবে নূনের সাথে হন। নুনের উপর তাশদীদ এই নূনে গুন্না করা ওয়াজিব। (বাতি আছে যেখানে গুন্না হবে সেখানে)
২ নং তাজবিদ
মুখস্তঃ ক্ব-ফ যবর ক্ব, ক্ব—ফ অক্ষর মোটা করে পড়তে হয় । (শাপলা ফুল যেখানে মোটা হবে সেখানে যবরে আকার পড়া যাবে না)
৩নং তাজবীদ
ছন্দ: ছফীরের তিন অক্ষর ছ-দ , সীন , যা- ছ-দ সীন; যা-।
মুখস্তঃ ছ্ব-দ যবর ছ্ব, ছ্ব-দ অক্ষর শিস দিয়ে পড়তে হয়ে। (পাতা আছে যেখানে শিস দিয়ে পড়তে হবে সেখানে)
৪নং তাজবীদ
ক্বলক্বলার ৫ অক্ষর।
মাশ্কঃ আ মিলবে ক্ব—ফ এর সাথে আক্ব ক্ব—ফ অক্ষরে সুকূন থাকলে ক্বলক্বলাহ্ করতে হয় । (মিনার আছে যেখানে ক্বলক্বলাহ্ করতে হবে সেখানে)
৫নং তাজবীদ
মাদ্দের অক্ষর তিনটি
মাদ্দের হারকাত তিনটি যথাঃ । খাড়া যবর, খাড়া যের, – উল্টা পেশ।
৬ নং তাজবীদ
মাশ্কঃদুই যবরে দম ফেলিলে (মনে মনে এক যবর বাদ দিয়ে) এক আলিফ টানতে হয়। মাদ্দে ইওয়াদ্ব তাকে কয়। (যে একের নিচের মাথা মোড়ানো থাকে না দম ফেলিলে ১ আলিফ পড়ে গেলে মাদ্দ টানা যাবে না) (মনে রাখতে হবে গোল তা-এ দুই যবর থাকা সত্তেও দম ফেলিলে ১ আলিফ টানা যাবে না)
৭ নং তাজবীদ
৮ নং তাজবীদ
যে একের নিচের মাথা মোড়ানো থাকে না , দম ফেলিলে এক আলিফ পড়ে গেলে মাদ্দ টানা যাবে না ।







